স্বতন্ত্র এবতেদায়ি শিক্ষকদের বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে

স্বতন্ত্র এবতেদায়ি শিক্ষকদের বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে

0
SHARE

সময় সংবাদ রিপোর্ট:স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের জন্য সুখবর আসছে। অচিরেই তাদের বেতন বাড়বে এবং তা হবে বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। আর্থিক সংশ্লেষ অনুমোদনের জন্য ‘স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা নীতিমালা’ পাঠানো হয়েছে অর্থ বিভাগে। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ এই নীতিমালায় প্রধান শিক্ষকের বেতন ১৪০ শতাংশ এবং সহকারী শিক্ষকের বেতন ১১৭ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে। স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা স্থাপন, স্বীকৃতি, পরিচালনা, জনবল কাঠামো এবং বেতন-ভাতা/অনুদান সংক্রান্ত নীতিমালা গতকাল পাঠানো হয় অর্থ মন্ত্রণালয়ে। এর আগে গত এপ্রিলেও এই নীতিমালা অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতিগত অনুমোদনের পরামর্শ দিয়ে নীতিমালাটি ফেরত দেয় অর্থ বিভাগ। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে ফের নীতিমালাটি পাঠানো হয়েছে।

স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকদের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসার ১৫ হাজার ২৪৩ জন শিক্ষকের মধ্যে মাত্র ৪ হাজার ৫২৯ জন সরকারি অনুদান পাচ্ছেন। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকরা মাত্র আড়াই হাজার এবং জুনিয়র শিক্ষক ও সহকারীরা ২ হাজার ৩০০ টাকা করে পাচ্ছেন। বর্তমান সরকারের শুরুতে এই শিক্ষকরা ৫০০ টাকা অনুদান পেতেন। প্রস্তাবিত নীতিমালা হলে প্রধান শিক্ষকরা বেতন পাবেন ৬ হাজার এবং জুনিয়র শিক্ষক ও সহকারীরা পাবেন ৫ হাজার টাকা করে। প্রধান শিক্ষকের বেতন ১৪০ শতাংশ এবং সহকারী শিক্ষকের বেতন ১১৭ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে নীতিমালায়। দেশে দুধরনের এবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। একটি দাখিল বা এর উচ্চতর মাদরাসার সঙ্গে সংযুক্ত, অন্যটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র। দেশে ৩ হাজার ৪৩৩টি স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক রয়েছেন ১৫ হাজার ২৪৩ জন এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক। এমপিওভুক্ত সংযুক্ত এবতেদায়ি মাদরাসার প্রধান শিক্ষকরা মাসে ১০ হাজার ৩৮৮ টাকা এবং সহকারী শিক্ষকরা মাসে ৯ হাজার ৯৮৮ টাকা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ফলে বৈষম্যের শিকার স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র এবতেদায়ি মাদরাসা নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী মাদরাসা স্থাপনের অনুমোদন দেবে মাদরাসা বোর্ড। তবে তার আগে বোর্ডকে সরকারের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

LEAVE A REPLY