ইসিকে পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ সদস্যদের তালিকা দিলেন আলাল

ইসিকে পক্ষপাতদুষ্ট পুলিশ সদস্যদের তালিকা দিলেন আলাল

0
SHARE

নির্বাচন কমিশনের কাছে পুলিশের ৯২ সদস্যের তালিকা দিয়ে তাদের প্রতি কোনো নির্দেশনা বা আহ্বান না জানাতে অনুরোধ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। এই তালিকায় পুলিশের ২২ কর্মকর্তা ও ৭০ জন সদস্য রয়েছেন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আলাল।

ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের ভাষ্য, এসব কর্মকর্তারা পক্ষপাতদুষ্ট। তারা সরকারের পক্ষে কাজ করছেন। এসব কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদেরকে সরিয়ে ফেলার জন্যও ইসির কাছে অনুরোধ করা হয়।

মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা এখনো নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন, যা নির্বাচন আচরণবিধির লঙ্ঘন। এখনো গণহারে গ্রেপ্তার চলছে। গতকাল রাতেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়, যার মধ্যে আমাদের মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীরাও রয়েছে। এমন প্রার্থীও রয়েছে যারা মনোনয়ন বোর্ডে হাজির হতে পারেননি।’

ঢাকা শহরের বহু এলাকায় আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ব্যানার-পোস্টার রয়েছে জানিয়ে আলাল বলেন, ‘যে সময়সীমা নির্বাচন কমিশন থেকে দেওয়া হয়েছিল পোস্টার বিলবোর্ড ইত্যাদি সরানোর জন্য, সে ব্যাপারে এখনো এই ঢাকা শহরের বহু জায়গায় নৌকার ও লাঙলের অসংখ্য বিলবোর্ড ও পোস্টার রয়েছে। উপরন্তু সিটি করপোরেশনের এবং আরও কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই সরকারের উন্নয়র কর্মকাণ্ডের নামে, পক্ষান্তরে নৌকা প্রতীকের প্রচার প্রচারণা অবিরামভাবে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে ডিসপ্লে বোর্ডের মাধ্যমে।’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘এসব বিষয়গুলো আমরা বলেছি এবং নির্বাচন কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশের বিশেষ শাখার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বারবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে চাচ্ছে, কে কোন দল করেন, সে তৎপরতা এখনো গণহারে চলছে।’

আলাল আরও বলেন, ‘আমি গতদিনও আপনাদের (সাংবাদিক) বলেছিলাম, খুলনার হরিনঘাটা থানার কিছু তথ্য আমাদের কাছে দালিলিকভাবে এসেছে। সেটাও আমরা আপনাদেরকে (সাংবাদিক) দেব। এখানে ওইভাবে নির্বাচন কর্মকর্তার নাম লিখে পাশে লেখা হয়েছে আওয়ামী লীগ, নাম লিখে পাশে লেখা হয়েছে বিএনপি, নাম লিখে পাশে লেখা হয়েছে জামায়াত। এটা করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা। অর্থ্যাৎ স্পেশাল ব্রাঞ্চ। তারা সেই চিঠি আদান-প্রদান করেছে, সেটা কপি আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘মূল কথাটা হচ্ছে যে, মাঠটি প্রচণ্ড রকমের অসমতল এখনো। আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের যে প্রতিজ্ঞা করেছি, সেটাকে ভঙ্গ করিয়ে সেটা থেকে আমাদেরকে সরে যেতে বাধ্য করার মতো সকল উপাদান কেন যেন খুব তড়িঘড়ি করে করা হচ্ছে।’

LEAVE A REPLY